Sher-e-Bangla Agricultural University
প্রস্তাবনাঃ
বি এ আই ডিবেটিং সোসাইটি যাহা বর্তমানে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি,বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট বর্তমানে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট মুক্ত জ্ঞ্যান চর্চা ও বিকাশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈনিক প্রভাবমুক্ত বিতর্ক সংগঠন।
শিক্ষার্থীদের যুক্তি-বুদ্বি ও মনন নির্ভর করে নানাবিধ বিতর্ক চর্চার মাধ্যমে অত্র প্রতিষ্ঠানের সুনাম অভ্যন্তরীণ,জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাবার লক্ষ্যে যাবতীয় কার্যক্রম এ সংগঠন পরিচালনা করবে।
ধারা নং-১ (সংগঠনের নাম)-
উক্ত সংগঠনের নাম হবে “বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট ডিবেটিং সোসাইটি” বা বি এ আই ডিবেটিং সোসাইটি,ইংরেজিতে “Bangladesh Agricultural Institute Debating Society” যা সংক্ষেপে BAIDS নামে পরিচিতি লাভ করবে।
সংশোধনীঃ পরবর্তীতে ৯ জুলাই,২০০১ সপ্তম জাতীয় সংসদে “শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০০১” পাশের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউটকে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়। এই প্রেক্ষিতে উক্ত সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে “শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি” বা এস এ ইউ ডিবেটিং সোসাইটি” নামকরণ করা হয়, যা সংক্ষেপে SAUDS নামে পরিচিতি লাভ করবে। সংবিধানের পরবর্তী সকল অনুচ্ছেদে উপরিউক্ত নামটি ব্যবহৃত হবে।
ধারা নং-২(প্রতিষ্ঠা কাল ও কাল)-
৯ ফেব্রুয়ারী,২০০০ ইং তারিখে তৎকালীন বি এ আই কনফারেন্স রুমে অত্র প্রতিষ্ঠানের কতিপয় সম্মানিত শিক্ষক, বাইকসুর নের্তৃবৃন্দ ও সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভার সিদ্বান্ত অনুযায়ী উক্ত সোসাইটি তার যাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে ।
ধারা নং-৩(দপ্তর)-
এস এ ইউ প্রশাসনের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে পাওয়া ক্যাম্পাসের যে কোন বিল্ডিং/রুমে এ সোসাইটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
ধারা নং-৪(ভিত্তি)-
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রেখে সংগঠন হিসাবে উহা পরিচালিত হবে। তবে প্রয়োজনে এ সংগঠন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাহিত্য সম্পাদক বা অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে পরামর্শ করে তাদের সাহায্য নিতে পারবেন। এ সোসাইটি অন্য কোন জাতীয়, আন্তর্জাতিক সংগঠন বা ফেডারেশনের অঙ্গ সংগঠন হিসাবে বিবেচিত হতে পারবে।
ধারা নং-৫(উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য)-
মুক্ত বুদ্বি চর্চা ও বিকাশের লক্ষ্যে নানাবিধ বিতর্ক কার্যক্রম পরিচালনা করাই এ সোসাইটির মূল উদ্দেশ্য। তবে সহশিক্ষা কার্যক্রম ও মানব সেবা মূলক প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে সামর্থ্য থাকা সাপেক্ষ সোসাইটি যে কোন প্রকার কার্যক্রম হাতে নিতে ও তা বাস্তবায়ন করতে পারবে।
ধারা নং-৬(মনোগ্রাম ও মূলনীতি)-
মূলনীতিঃ মুক্তচিন্তায় বিকশিত হব আমরা।
ধারা নং-৭(সংগঠনের আয়ের উৎস/ব্যায়ের খাত)-
৭(১) সদস্য ভর্তি ফি বাবদ প্রাপ্ত টাকা।
৭(২) সদস্যের মাসিক চাঁদা বাবদ প্রাপ্ত টাকা।
৭(৩) আজীবন সদস্যদের নিকট হতে প্রাপ্ত টাকা।
৭(৪)অন্য কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দেয়া অনুদান চাঁদার টাকা।
৭(৫) এস এ ইউ প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান।
ধারা নং-৮(সাধারণ সদস্য পদ লাভ)-
৮(১) সদস্য হতে আগ্রহী ব্যক্তিকে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী হতে হবে।
৮(২) প্রার্থীকে অবশ্যই বিতর্কে অনুরাগী হতে হবে।
৮(৩) সোসাইটির কার্যকরী পরিষদের ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত অন্যান্য যোগ্যতা থাকতে হবে।
৮(৪) সোসাইটি কর্তৃক ভর্তি হতে যোগ্য ছাত্র-ছাত্রীদের ১০০/-টাকার বিনিময়ে ভর্তির ফর্ম সংগ্রহ করে যথাযথভাবে পূরণ করে তা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ৩০/- টাকা সদস্য ফি জমা দিয়ে সদস্য পদ লাভ করতে হবে।
৮(৫) সোসাইটিতে ভর্তিকৃত প্রত্যেক ব্যক্তি সাধারণ পরিষদের সদস্য হবেন।
৮(৬) এম এস এর ছাত্র-ছাত্রীগ্ণও প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে অত্র সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন। কিন্তু চাকুরীজীবি কোন সদস্য সাধারণ সদস্য হতে পারবেন না।
সংশোধনীঃ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ফর্মের বিনিময় মূল্য ১০/- এর পরিবর্তে ১০০/- নির্ধারিতকরণ সাপেক্ষে কার্যকর করা হবে।
ধারা নং-৯(সদস্য পদ বাতিল/পুনঃবহাল)-
৯(১) কোন সদস্য সংগঠনের আদর্শ, উদ্দেশ্য, স্বার্থ বা সুনামের পরিপন্থি কোন কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকলে কার্যকরী সদস্যের পূর্ব সিদ্বান্তক্রমে তার সদস্যপদ বাতিল/সাময়িকভাবে বাতিল করতে পারবেন।
৯(২)কোন সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সোসাইটির কর্মকাণ্ডের সাথে রাজনীতিকে জড়িত করতে চাইলে।
৯(৩) সংগঠনের পূর্ব অনুমতি ব্যতিরেকে কোন সদস্য পর পর তিনটি সাধারণ সভায় অনুপস্থিত থাকলে তাকে নোটিশ/শোকজ করা হবে। তবে পাঁচটি বা তার অধিক সভায় অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে।
৯(৪) কোন সদস্য পর পর তিন মাস সংগঠনের চাদা পরিশোধ না করলে তার সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে।
৯(৫) কেহ তার নিজের অপারগতাহেতু সদস্যপদ প্রত্যাহার করার করে নেওয়ার জন্য আবেদন করলে তা কার্যকরী পরিষদ অনুমোদন দিলে তার সদস্য পদ বাতিল হবে।
৯(৬) অত্র প্রতিষ্ঠানে কোন সদস্যের ছাত্রত্ব শেষ/বাতিল হলে তার সদস্য পদ বাতিল হয়ে যাবে।
ধারা নং-১০(সম্মানিত সদস্য পদ লাভ)-
১০(১) সম্মানিত সদস্য পদ লাভঃ কোন সম্মানিত বা বিতর্কে অনুরাগী ব্যক্তিকে মডারেটর এবং কার্যকরী পরিষদের সিদ্বান্তক্রমে অত্র সোসাইটির সম্মানিত সদস্যপদ প্রদান করা হবে।
১০(২) আজীবন সদস্য পদ লাভঃ অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র/অন্য যে কোন ব্যক্তি সর্বনিম্ন ২০০০/- টাকা প্রদান পূর্বক কার্যকরী পরিষদের সিদ্বান্তক্রমে আজীবন সদস্য পদ লাভ করতে পারবেন।
ধারা নং-১১(সংগঠন পরিচালনা পরিষদ)-
উক্ত সোসাইটি পরিচালনার জন্য তিন প্রকারের পরিষদ থাকবেঃ-
(ক)উপদেষ্টা পরিষদ
(খ) সাধারণ পরিষদ
(গ)কার্যকরী পরিষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা পদাধিকার বলে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হবেন।
(ক)উপদেষ্টা পরিষদঃ
(১) পৃষ্ঠপোষকঃ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য পদাধিকার বলে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হবেন।
(২) প্রধান উপদেষ্টাঃ প্রধান পৃষ্ঠপোষকের অনুমোদন সাপেক্ষে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা হবেন।
(৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা পদাধিকার বলে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হবেন।
(৪) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হবেন।
(৫) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাহিত্য সম্পাদক পদাধিকার বলে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হবেন।
(৬) মডারেটর ও কার্যকরী পরিষদের সিদ্বান্তক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক অনুরাগী সর্বনিম্ন ৩(তিন) অথবা সর্বোচ্চ ৫ (পাচ) জন শিক্ষক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হবেন।
(৭)অত্র সোসাইটির নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালনায় পরামর্শ ও উপদেশ প্রদান এবং কার্যকরী পরিষদের কাজে অপারগতা হেতু উপদেষ্টা পরিষদ সাহায্য প্রদান করবে।
(৮) সদ্য সাবেক সভাপতি এক বছরের জন্য উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হবেন ।
সংশোধনীঃ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ধারা ১১ এর উপধারা ৬ এ “মডারেটর ও কার্যকরী পরিষদের সিদ্বান্তক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক অনুরাগী সর্বনিম্ন ৩(তিন) জন শিক্ষক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হবেন” এর পরিবর্তে “মডারেটর ও কার্যকরী পরিষদের সিদ্বান্তক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক অনুরাগী সর্বনিম্ন ৩(তিন) অথবা সর্বোচ্চ ৫ (পাচ) জন শিক্ষক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হবেন” এবং ৮ নং উপধারা হিসেবে “সদ্য সাবেক সভাপতি এক বছরের জন্য উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হবেন” সংযুক্ত ও কার্যকর হবে।
উপধারা-১ঃ
(ক) মডারেটরঃ উক্ত পরিষদের মধ্য হতে একজন সম্মানিত সদস্য সোসাইটির মডারেটরের দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি সোসাইটির যাবতীয় কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন করবেন।উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্বান্তক্রমে মডারেটর পরিবর্তন করা যাবে।
(খ)সাধারণ পরিষদঃ উক্ত সোসাইটির প্রতিটি সদস্য সাধারণ পরিষদের সদস্য হিসাবে পরিগণিত হবেন। যারা সংগঠনের যে কোন কাজ/সিদ্বান্ত বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
(গ)কার্যকরী পরিষদঃ উক্ত সংগঠনের যাবতীয় কার্যাবলী সুচারু রূপে সমাধান করার লক্ষ্যে সোসাইটির সদস্যদের মধ্য হতে ১৫ (পনের) সদস্য বিশিষ্ট একটি কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হবে।
যার পদ বিন্যাস হবে নিম্নরূপঃ
১।সভাপতি ১ জন
২।সহ-সভাপতি ২ জন
৩।সাধারণ সম্পাদক ১ জন
৪।যুগ্ম সম্পাদক ১ জন
৫।সাংগঠনিক সম্পাদক ১ জন
৬।অর্থ সম্পাদক ১ জন
৭।সম্পাদক (কর্মশালা ও যোগাযোগ) ১ জন
৮।সম্পাদক (শিক্ষা ও দপ্তর) ১ জন
৯।সম্পাদক (প্রকাশনা ও প্রচার) ১ জন
১০।সম্পাদক(তথ্য ও পাঠাগার) ১ জন
১১।সম্পাদক (সংস্কৃতি ও সমাজকল্যাণ) ১ জন
১২ সদস্য ৩ জন
উপধারা-২
উক্ত কার্যকরী পরিষদের ৭ থেকে ১১ নম্বরে বর্ণিত সম্পাদকদের কার্যক্রমে সাহায্য করার জন্য তাদের প্রত্যকের সাথে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপ-কমিটি থাকবে। সম্পাদকগণ এ কমিটির প্রধান হিসাবে পরিগণিত হবেন। কিন্তু উক্ত উপ-কমিটির সদস্যগণ কোন ক্রমে কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসাবে পরিগণিত হবেন না।
উপধারা ৩
কার্যকরী পরিষদের সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ
সভাপতির দায়িত্বঃ
(ক) কার্যকরী পরিষদের সভাপতি সংগঠনের প্রধান হিসাবে পরিগণিত হবেন।
(খ) সভাপতি সাধারণ পরিষদ ও কার্যনিবাহী পরিষদের সভায় সভাপতিত্ব করবেন।
(গ) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে যে কোন প্রকার সভা আহ্বানে পরামর্শ প্রদান করবেন। প্রয়োজনে তিনি নিজেও যে কোন প্রকার সভা আহ্বান করতে পারবেন।
(গ) সভাপতি তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যে কোন প্রকার সভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
(ঙ) সভাপতি সংগঠনের যে কোন প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন।
(চ) সভাপতি সংগঠনের সংবিধান মোতবেক যে কোন প্রকার কার্য পরিকল্পনা প্রণয়নে যথাযথ নির্দেশ, পরামর্শ প্রদান করবেন। তিনি সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে প্রচেষ্টা চালাবেন এবং স্বার্থ সংরক্ষণে সদা তৎপর হবেন।
সহ-সভাপতির দায়িত্বঃ
সোসাইটির সভাপতির অনুপস্থিতিতে তিনি সংগঠনের সভাপতির যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি সর্বদা সভাপতির কাজে সহায়তা এবং পরামর্শ প্রদান করবেন। তিনি কার্যকরী পরিষদের সভা কর্তৃক প্রদত্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন।
সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বঃ
(ক) সাধারণ সম্পাদক হবেন সোসাইটির যে কোন প্রকার কাজের প্রধান নির্বাহী।
(খ) তিনি সভাপতির সাথে পরামর্শক্রমে যে কোন প্রকার সভা আহ্বান করবেন।
(গ) তিনি সভায় গৃহীত কার্য বিবরণী ও সিদ্ধান্ত সমূহ সযত্নে রক্ষা করবেন এবং বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন ।
(ঘ) সাধারণ সম্পাদক সোসাইটির উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যেকে সামনে রেখে যে কোন প্রকার কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়কারী হিসাবে ভূমিকা রাখবেন ।
(ঙ) তিনি হলেন সকল সম্পাদকের প্রধান সম্পাদক ।
(চ) তিনি সংগঠনের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সংরক্ষন করবেন ।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বঃ
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে তার সমস্ত দায়িত্ব পালন করবেন । তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পরিচালনায় তাকে সাহায্য করে যাবেন । তিনি কার্যকরী পরিষদের সভা কর্তৃক প্রদত্ত যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন ।
সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বঃ
সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনের ভিত্তি মজবুত ও গতিশীল করার জন্য যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবেন এবং কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন দায়িত্ব সম্পাদন করবেন । এছাড়া তিনি সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম এবং ধারা ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক নির্বাচন কার্যক্রম সম্পাদনে সহায্য করবেন ।
অর্থ সম্পাদকের দায়িত্বঃ
অর্থ সম্পাদক অর্থ সংক্রান্ত যাবতীয় হিসাব-নিকাশ ও আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা করবেন । তিনি কার্যকরী কমিটির সুপারিশক্রমে বাজেট প্রণয়ন করবেন । তিনি সোসাইটির বাজেট অনুযায়ী যাবতীয় অর্থাদি খরচ করবেন ।
সম্পাদক (কর্মশালা ও যোগাযোগ):
তিনি তার উপ কমিটির সদস্যদের সহযোগীতা নিয়ে সোসাইটির কর্মশালা, প্রশিক্ষণ বিষয়ক গৃহীত যে কোন প্রকার কর্মসূচী আয়োজনে সচেষ্ট থাকবেন।
তিনি এ কার্যক্রম পরিচালনায় যে কোনো প্রকার ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করবেন ।
সম্পাদক (তথ্য ও পাঠাগার):
সংগঠনের বিতর্ক ও অন্যান্য কার্যাবলী পরিচালনায় গঠিত "তথ্য ব্যাংক ও পাঠাগার" এর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি ও তার উপ-কমিটি এ তথ্য ব্যাংক ও পাঠাগার এর সমৃদ্ধির জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন ।
সম্পাদক (শিক্ষা ও দপ্তর) :
তিনি সোসাইটির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করবেন । তিনি ও তার উপ-কমিটি, সংগঠন কর্তৃক গৃহীত যে কোন প্রকার শিক্ষা ও গবেষণা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ।
সম্পাদক (প্রকাশনা ও প্রচার):
তিনি ও তার উপ-কমিটি সোসাইটির যাবতীয় প্রকাশনা ও প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন ।
সম্পাদক (সংস্কৃতি ও সমাজ কল্যাণ):
তিনি এবং তার উপ-কমিটি সংগঠন কর্তৃক গৃহীত যে কোন প্রকার সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন । তিনি সর্বদা সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সংস্কৃতি ও সেবা মূলক মনমানসিকতা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাবেন এবং এ মর্মে কর্মসূচী গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করবেন ।
উপধারা-৪
কার্যকরী পরিষদ গঠন প্রক্রিয়া-
৪(১) কার্যকরী পরিষদ গঠন প্রক্রিয়া ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন কমিশনের অধীনে পরিচালিত হবে। মডারেটর/উপদেষ্টা
পরিষদের অন্য কোন সদস্য উক্ত কমিশনের প্রধান থাকবেন। বাকী সদস্যরা সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদ, সম্মানিত সদস্য এবং সদ্য বিগত
হয়ে যাওয়া সোসাইটির সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক (তবে তাদের পাশকৃত ছাত্র-ছাত্রী হতে হবে)
তবে তাদের নির্বাচনে প্রার্থীতা থাকতে পারবে না ।
৪(২) সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য কোন প্রার্থীতা থাকবে না ।
৪(৩) সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক, সাধারণ সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন ।
৪(৪) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেষ্ঠ্য দুই শিক্ষা বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্য হতে (পর্যায়ক্রমে) নির্বাচন করতে হবে । অন্যান্য
সকল সম্পাদক পদ সমূহে যে কোন বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা নির্বাচিত হতে পারবে ।
৪(৫) কার্যকরী পরিষদের বাকী পদগুলিকে সদস্য নির্বাচিত হবেন ৫ (পাঁচ) সদস্যের একটি বোর্ড দ্বারা । এই বোর্ডের ৩ (তিন) জন সদস্য হবেন যথাক্রমে মডারেটর, নব নির্বাচিত সভাপতি এবং নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক । অন্য ২ (দুই) জন সদস্য আসবেন সম্মানিত সদস্য এবং সদ্য বিগত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক (যদি কোন পদে প্রার্থীতা না থাকে) তাদের মধ্যে হতে ।
৪(৬) সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে একই সদস্য পরপর দুই বার নির্বাচিত হতে পারবেন না ।
৪(৭) কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার এক মাস আগে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে । এই নির্বাচন কমিশন একমাসের মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন এবং নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠন করে বিগত কার্যকরী পরিষদের নিকট হতে দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন ।
তবে কোন কারণে নির্বাচন যথা সময়ে দিতে ব্যর্থ হলে অন্তবর্তীকালীন সময়ে মডারেটর, উপদেষ্টা পরিষদের সহযোগিতা নিয়ে সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ।
৪(৮) নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের মেয়াদ হবে এক বছর (দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে)।
৪(৯) সোসাইটির সমস্ত কার্যক্রমে (সাধারণ সভা/কার্যকরী পরিষদ এর সভা) এর ৬০% এর নিচে অংশগ্রহণকারী সদস্য কার্যকর পরিষদ গঠনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে না ।
৪(১০) নতুন সদস্য পদ লাভের ২ (দুই) মাসের মধ্যে কোন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ঐ সদস্য নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে না ।
৪(১১) কোন কারণে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পূর্বে কার্যকরী পরিষদ ভেঙ্গে গেলে উপরিউক্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নতুন কমিটি গঠিত হবে ।
৪(১২) যদি কোন কারণে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদ এর দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য পদত্যাগ করে তবে সোসাইটির কার্যকরী পরিষদ সরাসরি ভেঙে যাবে ।
উপধারা-৫
নির্বাচন কমিশন তার কার্যমেয়াদে একটি নির্দিষ্ট সাধারণ সভায় যোগ্য সদস্যদের একটি ভোটার তালিকা প্রকাশ করবেন । এই যোগ্য ভোটারগণ (অন্য কোন বাধা না থাকলে) বিভিন্ন পদের জন্য প্রার্থী হিসাবে বিবেচিত হবেন । নির্বাচনের দিনে নির্বাচন কমিশন ভোটাদের শুধুমাত্র পদ ও প্রার্থীদের নাম লিখিত একটি ব্যালট পেপার সরবরাহ করবে । ভোটারগণ যে পদের জন্য যাকে বেশী যোগ্য মনে করবে তারাই নামের সামনে টীক চিহ্ন দিবেন । এই নির্বাচনে যে পদের জন্য যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশী সংখ্যক ভোট পাবেন তাকে সেই পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে । তবে একই পদে একাধিক ব্যক্তি সমান সংখ্যক ভোট পেলে উভয় প্রার্থীর লটারীর মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে উপ-কমিটি গঠন প্রক্রিয়া এ ভোটের আওতায় পড়বে না । কার্যকরী পরিষদ উপ-কমিটি গঠন করবে । নির্বাচনের যে কোন ফলাফল সোসাইটির প্রত্যেক সদস্য মেনে নিতে বাধ্য থাকবে ।
উপধারা- ৬ (সভার কোরাম):
সোসাইটির কার্যকরী /সাধারণ পরিষদের এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম পূর্ণ হবে ।
ধারা নং-১২ (কর্ম পরিকল্পনা):
এ সোসাইটি বিতর্ক চর্চা ও জ্ঞান বিকাশকে সামনে রেখে যে কোন প্রকার বিতর্ক কর্মসূচী, সভা-সমাবেশ, কর্মশালা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, গোল টেবিল বৈঠক, জাতীয় দিবস উদ্যাপন ও র্যালী সহ নানাবিধ সমাজ সচেতনতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন এছাড়াও নানা বিনোদনমূলক কর্মকান্ড যেমন- আবৃত্তি, গান, রমা বিতর্ক, কৌতুক সহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের আয়োজন করবে ।
বিতর্ক প্রতিযোগীতার মধ্যে থাকবে সনাতনী বিতর্ক, রম্য বিতর্ক, সংসদীয় বিতর্ক, বরোয়াড়ী বিতর্ক, নানা প্রকার কুইজ প্রতিযোগিতা ইত্যাদি ।
এ সমস্ত কর্মসূচী বাস্তবায়নে নিয়মিত একটি সাপ্তাহিক/ পাক্ষিক/মাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে ।
কর্মসূচী সমূহ বাস্তবায়নে নিয়মিত ভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে বছরের শুরুতে কার্যকরী কমিটি একটি কর্ম পরিকল্পনা তৈরী করবেন এবং তা লিফলেট আকারে সাধারণ সদস্যদের মাঝে বিতরন করবেন । তবে জরুরী সভা বা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মশালা / প্রতিযোগিতা, যোগদান এ রুটিনের আওতায় আসবে না ।
এ সোসাইটি বৎসরে অন্ততঃ দুই বার ৩-১০ দিনের দুটি কর্মশালার আয়োজন করবেন যার একটি হবে আন্তঃপর্যায়ে এবং অপরটি হবে জাতীয় পর্যায়ে ।
সোসাইটির সদস্যগণ সর্বদা জাতীয়, আন্তর্জাতিক কর্মশালা এবং বিতর্ক প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনের লক্ষ্যে সচেষ্ট থাকবেন ।
এ সংগঠনের নানাবিধ কর্মশালা ও প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক সদস্যের জন্য জবাবদিহিতার ব্যবস্থা থাকবে এবং প্রয়োজনে জরিমানাও করা যাবে।
এস.এ. ইউ, ডিবেটিং সোসাইটি মাসে অন্ততঃ একবার ইংরেজী বিতর্ক প্রতিযোগীতার আয়োজন/ এ সংক্রান্ত কর্মশালার ব্যবস্থা করবে ।
সোসাইটি তার যে কোন প্রকার কর্মসূচী সঠিক সময়ে আয়োজন করতে সচেষ্ট থাকবেন।
সোসাইটির যে কোন ধরনের নিয়মিত বৈঠক কর্মশালা সাধারণ পরিষদের সভা হিসাবে গন্য হবে।
এছাড়া সোসাইটি তার সারা বছরের নানাবিধ কার্যক্রম সাধারণ সদস্যদের কাছে তুলে ধরার জন্য বছরে অন্ততঃ একবার একটি প্রকাশনার ব্যবস্থা করবে ।
ধারা নং- ১৩ (সংগঠনের ব্যাংক হিসাব পরিচালনা):
সোসাইটির অর্থ সংক্রান্ত যাবতীয় ব্যাপারে অর্থ সম্পাদক প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন । তবে দপ্তর খরচ ব্যতিত যাবতীয় টাকা উক্ত সোসাইটির নামে যে কোন রাষ্ট্রয়ত্ব ব্যাংকে খোলা ব্যাংক একাউন্টে জমা করা হবে । এ ব্যাংক হিসাব সোসাইটির মডারেটর (অথবা উপদেষ্টা পরিষদের একজন সম্মানিত সদস্য) সাধারণ সম্পাদক ও অর্থ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।
ধারা নং-১৪(হল ক্লাব):
অত্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত প্রতিটি হলে অত্র সোসাইটিং অঙ্গ সংগঠন হিসাবে একটি করে হল ক্লাব থাকবে । যাহা সোসাইটির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকবে কিন্তু উহার প্রতিটিতে ৭ (সাত) সদস্য বিশিষ্ট একটি স্বাধীন কার্যকরী পরিষদ থাকবে । উহা নানাবিধ কার্যক্রমের জন্য সোসাইটির কার্যকরী পরিষদের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে ।
উক্ত ক্লাব গুলোর অর্থের যাবতীয় আয়-ব্যয় হিসাব সোসাইটির অর্থ সম্পাদকের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এবং উক্ত ক্লাব গুলোর দায়িত্ব প্রাপ্ত অর্থ সম্পাদকণণ ক্লাবের আয়ের যাবতীয় অর্থ সোসাইটির অর্থ সম্পাদকের হাতে তুলে দিবেন এবং স্ব-স্ব ক্লাবের কার্যকরী পরিষদের নিকট হতে পাশকৃত বাজেট পেশ করে সোসাইটির অর্থ সম্পাদকের নিকট হতে অর্থ গ্রহণ করে খরচ করবেন ।
ক্লাবের কার্যকরী পরিষদ গঠনের ক্ষেত্রে সোসাইটির মডারেটর ও কার্যকরী পরিষদ (সোসাইটির) এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে ।
ধারা নং- ১৫(সংবিধান সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জন):
উক্ত সংবিধানের যে কোন প্রকার ধারা বা উপধারা সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিমার্জনের ক্ষমতা উক্ত সংগঠনের সাধারণ পরিষদ সংরক্ষণ করে । তবে তা সাধারণ পরিষদের সদস্যদের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশের ভোট পেয়ে পাশ হওয়ার পরই কেবল কার্যকর হবে ।
ধারা নং-১৬(অনুল্লেখিত বিষয়):
সংবিধানে উল্লেখ নেই এমন কোন বিষয়ে জটিলতা লক্ষ্য করা গেলে মডারেটর, উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যকরী পরিষদের যৌথ সভায় আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সংবিধান প্রণয়নে যারা ছিলেনঃ